রাত ২:০০ | বুধবার | ১১ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

যা দেখে বুজবেন একজন নারী বিবাহিত ও পরকীয়ায় লিপ্ত

অনেকগুলো স্বপ্নের জাল বুনে একজন নারী স্বামীর সংসার শুরু করেন। বলা যায় একটি নতুন জীবনের সূচনা। বিবাহিত জীবন খুব সুখে শান্তিতে কাটবে এমনটাই কমনা থাকে সবার তবে সব আশা সবার পুর্ন হয়না। তাই বিয়ের পরও দুঃখী থেকে যায় কিছু নারী।

আপনি যদি একজন বিবাহিত নারী হয়ে থাকনে এবং আপনার বিবাহিত জীবন যদি সুখকর না হয়ে থাকে তবে আজকের এই লেখা ধরে নিন আপনাকে উদ্দেশ্য করেই।

আসলে একটা সময়ে গিয়ে আমরা জীবনে ঠিক বেঠিক বুঝে উঠতে পারিনা। আমরা কি আসলেই ভালো আছি কিনা তাও বুঝিনা। আজ আমরা আলোচনা এমন কিছু লক্ষণ নিয়ে যা স্পষ্ট করে যে একজন বিবাহিত নারী সুখে নেই।

প্রথমেই বলা যাক ঘুমের কথা। উইমেনস হেলথ একরোস দ্যা ন্যাশনের ডাক্তার ট্রক্সেল একটি বিশেষ গবেষণার পর এ কথা বলেন যে, সুখী বিবাহিত নারীরা অসুখী নারীদের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগ গভীর এবং সুখকরভাবে নিদ্রা যাপন করে থাকেন।

হতে পারে আপনার স্বামী শহরের বাইরে আছেন কিংবা আপনার আপনার সন্তানের অসুস্থ। যে কোন কারনেই হোক না কেন একজন বিবাহিত নারী সেই মুহূর্তে যথেষ্ট অসুখী যখন তার ঘুমের জায়গা টেনশন দখল করে নেয়।

একজন অসুখী বিবাহিত নারীর দ্বিতীয় লক্ষণ হচ্ছে ক্লান্তি। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালেফোর্নিয়ার একটি গবেষণায় এ কথা বলা হয় একজন সুখী বিবাহিত নারী সংসারের যে কোন ঝামেলা সামলে উঠেও ক্লান্ত হন না, বরং বেশ ভালোবেসেই কাজগুলো করেন। যেখানে একজন অসুখী নারী সাংসারিক জীবন নিয়ে যথেষ্ট ক্লান্তিভাব পোষণ করেন এবং নিজেকে পরিবর্তনও করতে নারাজ থাকেন।

একজন বিবাহিত নারীর আবেগ, চাওয়া পাওয়া থাকে তার স্বামীকে ঘিরে। সেই স্বামী যখন অবহেলা করেন কিংবা স্ত্রীকে বুঝতে চেষ্টা করেন না তখন সে নারী হয়ে উঠেন একজন অসুখী নারী। বর্তমান সমাজে দেখা যায় ঠিক এ কারনেই অনেক নারী বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং নিজের ইচ্ছে বা চাহিদা পূরণের চেষ্টা করে থাকেন।

যেকোন সম্পর্কেই দূরত্ব জিনিসটা ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায়। না, এই দূরত্ব কোন বাহ্যিক দূরত্ব নয়। মনের দূরত্বের কথা বলছিলাম। অনেক বিবাহিত দম্পতির ক্ষেত্রেই দেখা যায় চার দেয়ালের মাঝে দিনের পর দিন থাকার পরও তারা একে অপরের চেয়ে বেশ দূরে।

নিশ্চয়ই এটি একজন অসুখী বিবাহিত নারীর খুব বড় একটি লক্ষণ। দূরত্বের কারন স্বামী হতে পারে আবার স্ত্রীও হতে পারে। হয়ত স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি সম্মান হারিয়ে ফেলে কিংবা স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।

বিয়ে একটি বড় ধরণের সামাজিক সম্পর্ক। আর বিয়ে পরবর্তী সময়ে সুখী থাকতে চাওয়াটা যে কোন নারীরই কাম্য। তাই, উপরের লক্ষণ গুলোর একটিও যদি আপনার মনের জানালায় উঁকি দেয় আজই আপনার স্বামীর সাথে খোলাখুলি আলোচনা করে সব ঠিক করে নিন আর সুখী বিবাহিত জীবনযাপন করুন।

জ্বর হলেই প্যারাসিটামল যে ভয়ংকর ক্ষতির কারন

মাথা ব্যথা আর জ্বর। সারা বছরের সাধারণ অসুখবিসুখের মধ্যে অন্যতম। এ দিকে আমরাও গা গরম হতে না হতেই টপাটপ জ্বরের ওষুধ চালান করছি পেটে। কখনও ভাবছেন, প্যারাসিটামলের সঙ্গে ব্যথার ওষুধ খেলে জ্বর ব্যাটা খুব জব্দ হবে।

এর থেকে কিন্তু হিতে বিপরীত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। অল্পস্বল্প জ্বরে হলে ওষুধ খাওয়ার কোনও দরকারই নেই। আবার অন্য দিকে ডেঙ্গু জ্বর মারাত্মক রূপ নিতে পারে অ্যাসপিরিন জাতীয় ব্যথার ওষুধ খেলে, সাবধান করলেন চিকিৎসক রথীন চক্রবর্তী। তাঁর সঙ্গে কথা বললেন সুমা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কখনও মেঘ কখনও রোদ। এমন আবহাওয়ায় অসুখবিসুখের প্রকোপ বাড়ে। কেননা, ভ্যাপসা গরম আর রাতের ঠান্ডা মশা ও জীবাণুদের বাড়বাড়ন্তের জন্য একেবারে আদর্শ আবহাওয়া।

সঙ্গে আছে ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়ার জীবাণুরাও। তাই শিশু থেকে বয়স্ক, ডায়াবিটিক— যাঁদেরই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক ভাবে কম, তাঁদের জ্বর, সর্দি, হাঁচির ঝুঁকি বাড়ে।

ব্যস্ত জীবনে ছুটিছাটার অবকাশ কম। তাই অনেকেই শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে না বাড়তেই জ্বরের ওষুধ খাওয়া শুরু করেন। কিন্তু শরীরের তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি না ছাড়ালে জ্বরের ওষুধ না খাওয়াই ভাল।

তবে যে সব শিশুর তড়কা বা কনভালশন হয় তাদের শরীরের তাপমাত্রা একটু বাড়লেই হলেই ওষুধ দিতে হতে পারে। আসলে সাধারণ ভাইরাল ফিভার নিজে থেকেই সেরে যাওয়ার কথা। প্রয়োজন কেবল বিশ্রাম আর পর্যাপ্ত জলীয় খাবার।

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রকাশ জ্বর

জ্বর আসলে কিন্তু নিজে কোনও অসুখ নয়, উপসর্গ। শরীরে কোনও জীবাণু প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে জীবাণুদের বার করে দেওয়ার চেষ্টা করে। আর এই কারনেই শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এখনকার আবহাওয়ায় জ্বরের প্রবণতা বাড়ে। ‘এক্সট্রিম এজ গ্রুপ’ অর্থাৎ শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে জ্বরের ঝুঁকি বেশি।

এ ছাড়া অন্যান্য ক্রনিক অসুখ যেমন ডায়বিটিস, ক্রনিক কিডনির অসুখ, অ্যানিমিয়া-সহ নানা রোগ আছে, তাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল বলে জ্বরের ঝুঁকি বেশি। রোজকার জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন এনে স্বাস্থ্যকর উপায়ে জীবন চালালে ইমিউনিটি সিস্টেমকে জোরদার করা যায়। তাহলেই ঘন ঘন জ্বরজারির ঝুঁকি কমবে।

জ্বর হলেও ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ে

আমাদের ধারণা ডায়রিয়া হলে ওআরএস দিতে হয় ডিহাইড্রেশনের জন্যে। কিন্তু শরীরের তাপমাত্রা বাড়লেও শরীরে পানির ঘাটতি দেখা যায়। তাই জ্বরে লিকুইড ডায়েটের উপর জোর দিতে হবে। বেশি পানি খেলে অনেক সময় বমি পায়, তাই অল্প অল্প করে বারে বারে জল দিতে হবে।

একই সঙ্গে স্যুপ, ফলের রস, সরবত, দইয়ের ঘোল বা গরম দুধ, ডাল এই ধরণের খাবার খেলে আর ডিহাইড্রেশনের ভয় থাকে না। প্রসঙ্গত কনকনে ঠান্ডা খাবার না খেলেই হল, দই বা কলা খেলে ঠান্ডা লেগে জ্বর বাড়ে না। কাজেই এই ভুল ধারণা ভাঙুন।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» খাতুনগঞ্জের আড়ত থেকে বের হলো ১৫ টন পচা পেঁয়াজ

» আলফাডাঙ্গায় সাংবাদিক আহতের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্বারকলিপি প্রদান

» আলফাডাঙ্গায় বারাশিয়া চন্দনা নদী দখল করে প্রভাবশালীর ভবন নির্মান

» মন্ত্রী-এমপিদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর

» ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে বাসের স্টিয়ারিং ধরলেন তরুণী!

» রিফাতকে হত্যার আগের দিনও নয়ন বন্ডের বাসায় যায় মিন্নি

» শ্রীপুরে টেক্সটাইল মিলে আগুন, দগ্ধ ৫

» শাকিব খানের ছবি থেকে বুবলী বাদ

» আজও অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, ভূমিধসের সতর্কতা

» সেরাদের লড়াইয়ে এগিয়ে সাকিব

» যেভাবে ৭ দিন সমুদ্রে ভেসে থাকার পর বাংলাদেশে জীবিত উদ্ধার হলেন রবীন্দ্রনাথ দাস

» দর্শনার্থীর মোবাইল কেড়ে নিয়ে বানরের সেলফি

» অভিনেতা অপূর্ব’র ছোট ভাই দ্বীপ আত্মহত্যা করেছেন

» টয়লেটে প্রসব, নিজে নাড়ি কেটে ছেলেকে ডাস্টবিনে ফেলে গেল মা!

» বিকিনি পরা ছবি শেয়ার করে লাইসেন্স হারালেন সুন্দরী চিকিৎসক!

Biggapon

Biggapon

সদস্য মণ্ডলীঃ-

সম্পাদকঃ এ, বি মালেক (স্বপ্নিল)
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ লতিফুল ইসলাম
উপদেষ্টাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
আইটি উপদেষ্টাঃ মাহির শাহরিয়ার শিশির
আইটি সম্পাদকঃ আসাদ্দুজামান সাগর
প্রকাশক ও নির্বাহী পরিচালক (CEO):
ইঞ্জিনিয়ার এম, এ, মালেক (জীবন)

যোগাযোগঃ-

৮৬৮ কাজীপাড়া, মিরপুর-১০, মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ-১২১৬।
ইমেইলঃ info@dailynewsbd24.com, dailynewsbd247@gmail.com,
ওয়েবঃ www.dailynewsbd24.com
মোবাইলঃ +৮৮-০১৯৯৩৩৩৯৯৯৪-৯৯৬,
+৮৮-০১৭২১৫৬৭৭৮৯

Design & Devaloped BY Creation IT BD Limited

,

যা দেখে বুজবেন একজন নারী বিবাহিত ও পরকীয়ায় লিপ্ত

অনেকগুলো স্বপ্নের জাল বুনে একজন নারী স্বামীর সংসার শুরু করেন। বলা যায় একটি নতুন জীবনের সূচনা। বিবাহিত জীবন খুব সুখে শান্তিতে কাটবে এমনটাই কমনা থাকে সবার তবে সব আশা সবার পুর্ন হয়না। তাই বিয়ের পরও দুঃখী থেকে যায় কিছু নারী।

আপনি যদি একজন বিবাহিত নারী হয়ে থাকনে এবং আপনার বিবাহিত জীবন যদি সুখকর না হয়ে থাকে তবে আজকের এই লেখা ধরে নিন আপনাকে উদ্দেশ্য করেই।

আসলে একটা সময়ে গিয়ে আমরা জীবনে ঠিক বেঠিক বুঝে উঠতে পারিনা। আমরা কি আসলেই ভালো আছি কিনা তাও বুঝিনা। আজ আমরা আলোচনা এমন কিছু লক্ষণ নিয়ে যা স্পষ্ট করে যে একজন বিবাহিত নারী সুখে নেই।

প্রথমেই বলা যাক ঘুমের কথা। উইমেনস হেলথ একরোস দ্যা ন্যাশনের ডাক্তার ট্রক্সেল একটি বিশেষ গবেষণার পর এ কথা বলেন যে, সুখী বিবাহিত নারীরা অসুখী নারীদের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগ গভীর এবং সুখকরভাবে নিদ্রা যাপন করে থাকেন।

হতে পারে আপনার স্বামী শহরের বাইরে আছেন কিংবা আপনার আপনার সন্তানের অসুস্থ। যে কোন কারনেই হোক না কেন একজন বিবাহিত নারী সেই মুহূর্তে যথেষ্ট অসুখী যখন তার ঘুমের জায়গা টেনশন দখল করে নেয়।

একজন অসুখী বিবাহিত নারীর দ্বিতীয় লক্ষণ হচ্ছে ক্লান্তি। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালেফোর্নিয়ার একটি গবেষণায় এ কথা বলা হয় একজন সুখী বিবাহিত নারী সংসারের যে কোন ঝামেলা সামলে উঠেও ক্লান্ত হন না, বরং বেশ ভালোবেসেই কাজগুলো করেন। যেখানে একজন অসুখী নারী সাংসারিক জীবন নিয়ে যথেষ্ট ক্লান্তিভাব পোষণ করেন এবং নিজেকে পরিবর্তনও করতে নারাজ থাকেন।

একজন বিবাহিত নারীর আবেগ, চাওয়া পাওয়া থাকে তার স্বামীকে ঘিরে। সেই স্বামী যখন অবহেলা করেন কিংবা স্ত্রীকে বুঝতে চেষ্টা করেন না তখন সে নারী হয়ে উঠেন একজন অসুখী নারী। বর্তমান সমাজে দেখা যায় ঠিক এ কারনেই অনেক নারী বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং নিজের ইচ্ছে বা চাহিদা পূরণের চেষ্টা করে থাকেন।

যেকোন সম্পর্কেই দূরত্ব জিনিসটা ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায়। না, এই দূরত্ব কোন বাহ্যিক দূরত্ব নয়। মনের দূরত্বের কথা বলছিলাম। অনেক বিবাহিত দম্পতির ক্ষেত্রেই দেখা যায় চার দেয়ালের মাঝে দিনের পর দিন থাকার পরও তারা একে অপরের চেয়ে বেশ দূরে।

নিশ্চয়ই এটি একজন অসুখী বিবাহিত নারীর খুব বড় একটি লক্ষণ। দূরত্বের কারন স্বামী হতে পারে আবার স্ত্রীও হতে পারে। হয়ত স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি সম্মান হারিয়ে ফেলে কিংবা স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।

বিয়ে একটি বড় ধরণের সামাজিক সম্পর্ক। আর বিয়ে পরবর্তী সময়ে সুখী থাকতে চাওয়াটা যে কোন নারীরই কাম্য। তাই, উপরের লক্ষণ গুলোর একটিও যদি আপনার মনের জানালায় উঁকি দেয় আজই আপনার স্বামীর সাথে খোলাখুলি আলোচনা করে সব ঠিক করে নিন আর সুখী বিবাহিত জীবনযাপন করুন।

জ্বর হলেই প্যারাসিটামল যে ভয়ংকর ক্ষতির কারন

মাথা ব্যথা আর জ্বর। সারা বছরের সাধারণ অসুখবিসুখের মধ্যে অন্যতম। এ দিকে আমরাও গা গরম হতে না হতেই টপাটপ জ্বরের ওষুধ চালান করছি পেটে। কখনও ভাবছেন, প্যারাসিটামলের সঙ্গে ব্যথার ওষুধ খেলে জ্বর ব্যাটা খুব জব্দ হবে।

এর থেকে কিন্তু হিতে বিপরীত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। অল্পস্বল্প জ্বরে হলে ওষুধ খাওয়ার কোনও দরকারই নেই। আবার অন্য দিকে ডেঙ্গু জ্বর মারাত্মক রূপ নিতে পারে অ্যাসপিরিন জাতীয় ব্যথার ওষুধ খেলে, সাবধান করলেন চিকিৎসক রথীন চক্রবর্তী। তাঁর সঙ্গে কথা বললেন সুমা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কখনও মেঘ কখনও রোদ। এমন আবহাওয়ায় অসুখবিসুখের প্রকোপ বাড়ে। কেননা, ভ্যাপসা গরম আর রাতের ঠান্ডা মশা ও জীবাণুদের বাড়বাড়ন্তের জন্য একেবারে আদর্শ আবহাওয়া।

সঙ্গে আছে ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়ার জীবাণুরাও। তাই শিশু থেকে বয়স্ক, ডায়াবিটিক— যাঁদেরই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক ভাবে কম, তাঁদের জ্বর, সর্দি, হাঁচির ঝুঁকি বাড়ে।

ব্যস্ত জীবনে ছুটিছাটার অবকাশ কম। তাই অনেকেই শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে না বাড়তেই জ্বরের ওষুধ খাওয়া শুরু করেন। কিন্তু শরীরের তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি না ছাড়ালে জ্বরের ওষুধ না খাওয়াই ভাল।

তবে যে সব শিশুর তড়কা বা কনভালশন হয় তাদের শরীরের তাপমাত্রা একটু বাড়লেই হলেই ওষুধ দিতে হতে পারে। আসলে সাধারণ ভাইরাল ফিভার নিজে থেকেই সেরে যাওয়ার কথা। প্রয়োজন কেবল বিশ্রাম আর পর্যাপ্ত জলীয় খাবার।

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রকাশ জ্বর

জ্বর আসলে কিন্তু নিজে কোনও অসুখ নয়, উপসর্গ। শরীরে কোনও জীবাণু প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে জীবাণুদের বার করে দেওয়ার চেষ্টা করে। আর এই কারনেই শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এখনকার আবহাওয়ায় জ্বরের প্রবণতা বাড়ে। ‘এক্সট্রিম এজ গ্রুপ’ অর্থাৎ শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে জ্বরের ঝুঁকি বেশি।

এ ছাড়া অন্যান্য ক্রনিক অসুখ যেমন ডায়বিটিস, ক্রনিক কিডনির অসুখ, অ্যানিমিয়া-সহ নানা রোগ আছে, তাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল বলে জ্বরের ঝুঁকি বেশি। রোজকার জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন এনে স্বাস্থ্যকর উপায়ে জীবন চালালে ইমিউনিটি সিস্টেমকে জোরদার করা যায়। তাহলেই ঘন ঘন জ্বরজারির ঝুঁকি কমবে।

জ্বর হলেও ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ে

আমাদের ধারণা ডায়রিয়া হলে ওআরএস দিতে হয় ডিহাইড্রেশনের জন্যে। কিন্তু শরীরের তাপমাত্রা বাড়লেও শরীরে পানির ঘাটতি দেখা যায়। তাই জ্বরে লিকুইড ডায়েটের উপর জোর দিতে হবে। বেশি পানি খেলে অনেক সময় বমি পায়, তাই অল্প অল্প করে বারে বারে জল দিতে হবে।

একই সঙ্গে স্যুপ, ফলের রস, সরবত, দইয়ের ঘোল বা গরম দুধ, ডাল এই ধরণের খাবার খেলে আর ডিহাইড্রেশনের ভয় থাকে না। প্রসঙ্গত কনকনে ঠান্ডা খাবার না খেলেই হল, দই বা কলা খেলে ঠান্ডা লেগে জ্বর বাড়ে না। কাজেই এই ভুল ধারণা ভাঙুন।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সদস্য মণ্ডলীঃ-

সম্পাদকঃ এ, বি মালেক (স্বপ্নিল)
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ লতিফুল ইসলাম
উপদেষ্টাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
আইটি উপদেষ্টাঃ মাহির শাহরিয়ার শিশির
আইটি সম্পাদকঃ আসাদ্দুজামান সাগর
প্রকাশক ও নির্বাহী পরিচালক (CEO):
ইঞ্জিনিয়ার এম, এ, মালেক (জীবন)

যোগাযোগঃ-

৮৬৮ কাজীপাড়া, মিরপুর-১০, মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ-১২১৬।
ইমেইলঃ info@dailynewsbd24.com, dailynewsbd247@gmail.com,
ওয়েবঃ www.dailynewsbd24.com
মোবাইলঃ +৮৮-০১৯৯৩৩৩৯৯৯৪-৯৯৬,
+৮৮-০১৭২১৫৬৭৭৮৯

Design & Devaloped BY Creation IT BD Limited